
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের ‘আঘাত সামরিক হামলার আওতার মধ্যে’ রয়েছে।

ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

চীনের স্যাটেলাইট সাম্প্রতিক যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে শক্তিশালী সক্ষমতা দিয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মৌন মিছিল করেছে ‘মওলানা ভাসানী বিগ্রেড’ প্যানেল।

ইরানি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজে পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনটি ডেস্ট্রয়ার নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।

হরমুজ প্রণালীতে সোমবার মার্কিন সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। ১৫টির বেশি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি জাহাজের আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন। ইরানও কঠোর জবাবি হুঁশিয়ারি জানিয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে আনার জন্য মার্কিন সামরিক অভিযান চালানোর কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

কর্মীদের উদ্ধারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে এ প্রথম কোনো চালকবিহীন নৌযান বা সি ড্রোন ব্যবহার করা হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।