
পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলেও শঙ্কা শর্তের বেড়াজাল নিয়ে
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, তৈরি পোশাকে মার্কিন তুলা ব্যবহারের সত্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত আরোপ করা হলে তাতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

রপ্তানিকারকেরা বলছেন, তৈরি পোশাকে মার্কিন তুলা ব্যবহারের সত্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত আরোপ করা হলে তাতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, গত বছর তিনি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাত থামিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত বা শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন। চীন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে সামরিক সহায়তা করে আসছে।

চুক্তিটির আওতায় ইন্দোনেশিয়া ৯৯ শতাংশের বেশি মার্কিন পণ্য আমদানিতে বাণিজ্যিক বাধা কমাবে। সেই সঙ্গে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মার্কিন পণ্য কেনার ব্যবস্থা করবে ইন্দোনেশিয়া।

ইউরোপের ডিজিটাল করনীতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।

মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

ট্রাম্পের ছবি ও স্লোগান ছাপা চীনা আতশবাজিতে উচ্ছ্বাস। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের জন্য চীন থেকে রপ্তানি বেড়েছে। চীনের রপ্তানি আতশবাজির প্রায় ৪০ শতাংশ যায় মার্কিন বাজারে।

বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নির্বাচনে সাফল্য এনেছে, কিন্তু বৈষম্য, দুর্নীতি ও বিদেশি চাপের বাস্তবতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের চাপ অগ্রাহ্য করে সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব কি? মার্কিন শুল্কচুক্তির মতো বিষয়ে সরকারের অবস্থান জনগণ জানতে চায়।