
মডেল ও বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারাই কেন এই ভয়ানক মানসিক রোগে বেশি আক্রান্ত হন
অ্যানোরেক্সিয়া শুধু ওজন কমাতে চাওয়া বা শুকাতে চাওয়া নয়। এটি এমন একটি রোগ, যেখানে শরীর, খাদ্য ও আত্মপরিচয় সম্পর্কে মানুষের ধারণা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়।

অ্যানোরেক্সিয়া শুধু ওজন কমাতে চাওয়া বা শুকাতে চাওয়া নয়। এটি এমন একটি রোগ, যেখানে শরীর, খাদ্য ও আত্মপরিচয় সম্পর্কে মানুষের ধারণা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুজব ছড়ানোর বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কেউ একটি অপ্রমাণিত তথ্য শেয়ার করলে অন্যরা না ভেবেই তা ছড়িয়ে দেন।

আধুনিক ও ব্যস্ত নগরজীবনে দুশ্চিন্তা আর মানসিক চাপ যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী। প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির অমিল থেকে তৈরি হওয়া এই মানসিক চাপ কীভাবে সামলানো যায়, সে বিষয়ে জরুরি

কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকের মতো একটি পরীক্ষায় ৩৬ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেবে না—এর চেয়ে বড় ধরনের মানসিক ধাক্কা আর হয় না।

বুলিমিয়া নার্ভোসা একটি গুরুতর খাদ্যাভ্যাসজনিত মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অল্প সময়ে পরিমাণে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন, যাকে বলে ‘বিঞ্জ ইটিং’

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী কন্যাসন্তান জন্ম দিয়েছেন।

ঢাকার স্কুলশিশুরা দিনে গড়ে ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে কাটায়, ফলে ঘুম কম, ওজন বাড়ছে, চোখ-মাথার সমস্যা হচ্ছে। আইসিডিডিআরবির গবেষণায় অনিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন টাইমের শারীরিক-মানসিক ক্ষতি প্রমাণিত। অভিভাবকদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের ১৭১তম মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় বিশেষজ্ঞরা সন্তানের মানসিক সংকট মোকাবিলায় অভিভাবকদের পরামর্শ দেন। ডা. মোহিত কামাল বলেন, বয়ঃসন্ধিকালে অভিভাবক হোন সহমর্মী বন্ধু এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তুলুন। এতে সন্তান একাকিত্ব থেকে রক্ষা পাবে।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর কোলে কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। প্রশাসন মা-শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ইউএনও জানান, নারীর পরিবার খুঁজে বের করা হচ্ছে; না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্কুলপর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বৈজ্ঞানিক মডেলের জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। মাউশির সাম্প্রতিক উদ্যোগ স্থগিতের পর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, প্রশিক্ষিত সাইকোলজিস্ট এবং প্রতিবেশী দেশের উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ডব্লিউএইচও ও ইউনেসকোর মডেল অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে।

অনলাইনে নেতিবাচক কনটেন্ট নিয়মিত দেখলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে বলে নেচার হিউম্যান বিহেভিয়ারে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে। গবেষকেরা কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

ফ্যাশন বা শখ হিসেবে নয়; বরং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার একটি সম্ভাব্য সহায়ক পদ্ধতি হিসেবেও নিটিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।