
সেই জানালা দিয়ে সম্ভবত এস আলম এসে পড়বে: সংসদে জামায়াতের সাইফুল আলম
ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের সংশোধনী নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন সাইফুল আলম খান।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের সংশোধনী নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন সাইফুল আলম খান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

জাতিসংঘের ১৯৯৩ সালের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বাধীন নজরদারি ও অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ৩ এপ্রিল জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি শিগগিরই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। এসবের মধ্যে বিচারক নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুদকের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

এনসিপি সমর্থিত ন্যাশনাল লইয়ার্স অ্যালায়েন্স (এনএলএ) অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের কারণে শোকজের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়সহ গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলকেও প্রতিহত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান জানানো হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য স্বাধীন কমিশন গঠন করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুমের ঘটনা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা তাঁদের অগোচরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলেও গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, এসব ঘটনায় দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্ট চারটি অধ্যাদেশ অনুমোদনের পক্ষে নয় বিএনপি। সংসদীয় দলের সভায় সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কৌশলী অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ কমিটির সুপারিশে কয়েকটি অধ্যাদেশ বাতিলের বিল সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে চব্বিশের মতো আরেক অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি শুরু হবে বলে সতর্ক করেছেন। রাজধানীর এক নাগরিক সংলাপে তিনি বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। অন্যান্য বক্তা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পাস না হলে অকার্যকর হয়ে যাবে। এতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও গুমের বিচার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। সরকার নতুন বিলের প্রতিশ্রুতি দিলেও আস্থা ফিরবে না।