
যেমন ছিল ইসলামের প্রথম বিদ্যালয়
ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।

ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় আসার পর দ্বিতীয় হিজরিতে কুরাইশরা মদিনা আক্রমণ করলে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

এই দিনে মদিনা রাষ্ট্র রোমানদের হুমকির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল, অন্যদিকে সজাগ হয়েছে আন্দালুসের সীমান্ত এবং যাত্রা শুরু করেছে সেলজুক সাম্রাজ্য।

তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

আমাদের হজ যাত্রায় মদিনার ৫ দিন যেমন শান্তিপূর্ণ কেটেছে, মক্কার গত এক সপ্তাহ সেরকমটি নয়। এখানে তাপমাত্রা বেশি, মানুষ বেশি, ঘটনা ও দুর্ঘটনাও বেশি। ২ সেকেন্ডের জন্য আমি মৃত্যুর মুখোমুখি হতে গিয়ে বেঁচে গেছি, সেই গল্পে পরে আসছি।

হজ যাত্রায় ছোট ছোট সতর্কতা পালন করলে মক্কা-মদিনায় চলাফেরা ও ইবাদত সহজ হয়। নুসুক কার্ড থেকে শুরু করে গরম সুরক্ষা, জুস পান, জুতা-ওষুধের ব্যবহারসহ ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস এখানে। অসতর্কতায় বড় বিপদ এড়াতে এগুলো মেনে চলুন।

হজে সর্দি-কাশি, পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে পানি পান, খাবার সতর্কতা ও ওষুধ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মক্কা-মদিনায় বাংলাদেশ মেডিকেল সেন্টারের যোগাযোগ নম্বরও জানানো হয়েছে। সুস্থ থেকে ফরজ কাজ পালনই মূল লক্ষ্য।

দশম হিজরিতে মহানবী (সা.)-এর হজযাত্রা শুরু হয়। মদিনায় জড়ো হয় বিপুল জনতা তাঁর সঙ্গী হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়। খুতবায় তিনি হজের নিয়ম ও শিক্ষা বর্ণনা করেন এবং সাধারণভাবে যাত্রা শুরু করেন।

হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।

নবীজির ইন্তেকালের পর মদিনাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাহাবিরা ধীরে ধীরে সেই শোক কাটিয়ে উঠলেও ইয়াফুরের শোক বুঝি কাটছিল না।

বাংলাদেশিদের হজ ও ওমরাহ সেবায় গতি আনতে সৌদি আরবের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। মদিনায় সৌদি হজ ও ওমরাহমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের বৈঠকে এ ঐকমত্য হয়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করেছেন ধর্মমন্ত্রী।

উম্মে সালামা (রা.) কেবল ধর্মীয় বিধানের সমাধানই দিতেন না, সাহাবিরা কোরআনের সঠিক তেলাওয়াতও তাঁর কাছ থেকে শিখতেন। বিভিন্ন মতবিরোধ মীমাংসায় তাঁর প্রজ্ঞাময় ফতোয়া সাহাবিদের নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশক ছিল। হাদিসগুলোতে তাঁর ফকিহা ও শিক্ষকতার চমৎকার দৃষ্টান্ত সংরক্ষিত রয়েছে।