
সেটি যেন জেলখানার মধ্যে আরেকটা জেল
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের তিন মাস পর ১৪ মার্চ কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীর মুক্তকণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর জেলজীবনের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের তিন মাস পর ১৪ মার্চ কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীর মুক্তকণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর জেলজীবনের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মুক্তকণ্ঠ ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ।

রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।

মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় সরকারের দিক থেকে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নেওয়া হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

এ হামলা–ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘অচিন্তনীয়’ বলে উল্লেখ করে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার বলেন, প্রদর্শনী না দেখলে হামলার ভয়াবহতা বোঝা যেত না।

শিল্প প্রদর্শনীর নবম দিনে প্রচুর দর্শকসমাগম হয়েছিল। দর্শকেরা শিল্পকর্মটির প্রশংসা করেন এবং ভয়াবহ এই হামলার নিন্দা জানান।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাস ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।

জাতিসংঘ মিশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়ন্ত অধিকারী এসেছিলেন সস্ত্রীক। তিনি বললেন, ‘এই প্রদর্শনী হওয়া খুবই দরকার ছিল।

দর্শকেরা এই শিল্প-আয়োজনে দেখছেন পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, টেবিল, চেয়ার, বই, নথিপত্র ও সেখান থেকে জেগে ওঠার প্রাণশক্তি।

উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনে চলছে শিল্প-আয়োজন ‘আলো’।