
সিলেটের ছয়টি আসনের পাঁচ বিএনপির, একটি খেলাফত মজলিসের
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট।

সিলেট–৪ আসনে আরিফুল হক ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬টি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়েছেন।

নেপালে সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা প্রায় শেষ পর্যায়ে। দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পথে রয়েছে।

আখতার হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট।

নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।

পশ্চিমবঙ্গের ফলতায় পুনর্নির্বাচনে বিজেপির দেবাংশু পান্ডা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন ও বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তিন সদস্য সমালোচনা করেছেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অভিযোগ খারিজ করে নির্বাচন বর্জনের সমালোচনা করেন। ১৯৯৪ সালের মাগুরা উপনির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করে বিরোধীরা সতর্ক করেছেন।

বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার ব্যতিক্রমী ফল হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী।