
গাজীপুরের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কিরণসহ ঘনিষ্ঠদের ৪১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হিসাবগুলোয় টাকা জমা রেখেছেন।

আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হিসাবগুলোয় টাকা জমা রেখেছেন।

মূলত একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংক ও অনিয়ম হওয়া ব্যাংকগুলোর উচ্চ লোকসান গত বছর শেষে পুরো খাতের লোকসানকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ব্যাংক সংস্কার উদ্যোগের ফলে এই চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক মনে করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাতই হলো পূর্বশর্ত।

অন্তর্বর্তী সরকারকে ইঙ্গিত করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তাদের সক্ষমতার ঘাটতি ছিল, ছিল সমন্বয়ের অভাব। তাদের স্পষ্ট কোনো অর্থনৈতিক ভিশনও ছিল না।

দেশের অর্থনীতি জটিল সময় পার করছে, তবে প্রবাসী আয় ভালো। আইএমএফের সংস্কার শর্ত থেকে পিছু হটলে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর জরুরি।

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও তাদের ভেতরে সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রকৃত নেতৃত্ব বা অঙ্গীকার কতটা আছে, তা স্পষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বিএনপির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগ তুলে রাজপথে আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি বিএনপির সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কথাও বলেন। ১১-দলীয় ঐক্য আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিরোধী নেতারা ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে ঐক্য জানান।

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে নতুন বাণিজ্যচুক্তি ও বাজার বহুমুখীকরণ অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ম্যান্ডেটের জন্য দৃশ্যমান সংস্কার ও কার্যকর নীতি দরকার।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনীতি নানামুখী চাপে আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিম্ন রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, ঋণঝুঁকি ও প্রশাসনিক অদক্ষতা একসঙ্গে চাপ তৈরি করছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বেসরকারি খাত পরামর্শক কাউন্সিলের প্রথম সভায় ব্যবসায়ীরা সরকারি নীতি সিদ্ধান্তে তাঁদের অংশগ্রহণের দাবি জানান। শনিবার তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বিনিয়োগ বাড়ানো, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ, বন্দর সুবিধা ও ব্যাংক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করেন। প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেন।