
জোটবন্ধন ছেঁড়ার পর ধন্দে পড়া ভোটারে এখন চোখ দুই প্রার্থীর
দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।

দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।

দেশের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি প্রার্থী এই আসনে, ১৫ জন। একজন স্বতন্ত্র, বাকিরা বিভিন্ন দলের। এখানে ভোটার প্রায় সাড়ে তিন লাখ।

আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনে কী ভাবছেন বরগুনার সাধারণ ভোটাররা, তা তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

জাতীয় নেতা, স্থানীয় প্রার্থী ও আঞ্চলিক সমীকরণে কক্সবাজারের চার আসনে ভোটের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।

এই আসনে প্রার্থী সাতজন। নির্বাচনী প্রচারে এগিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুই প্রার্থী।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে বিএনপি–জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ভোটের সামগ্রিক উত্তেজনা তুলনামূলক কম।

ভোটের নতুন সমীকরণ ঝালকাঠিতে। শহরে জমজমাট প্রচার, গ্রামীণ জীবনে সংকটই আলোচনার কেন্দ্রে।

সব মিলিয়ে এ আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। উপজেলা ঘুরে চারজন প্রার্থীরই সমান প্রচারণা দেখা গেল।

এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।

প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৪৮ জন বিএনপির। জামায়াতে ইসলামীর ৬৩ জন।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।

এই আসনে প্রার্থী ১০ জন। ভোটার চার লাখের বেশি। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী।