
ফার্নেস তেলে ৬৪৪ কোটি টাকা বাড়তি নেয় বিপিসি
ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)

ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম দ্বিগুণেরও বেশি হলেও সরকার এপ্রিলে ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। দাম না বাড়ানোর ফলে সরকারকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশেও সরকার দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

দেশে চলতি মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর দুটি উপায়। একটি হলো মূল্যবৃদ্ধি, অন্যটি ব্যয় কমানো।

নিম্ন আয়ের মানুষদের বাড়তি দাম থেকে রেহাই দিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করা হবে। দেশে সব ধরনের জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সেচ মৌসুমে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিসহ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে দেশীয় কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, ব্যয়ও বেড়ে গেছে।

জ্বালানি তেলের সংকট মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তীব্রতর হয়েছে, যা সংসারের খরচ বাড়াচ্ছে। নতুন বাজেট, যাতায়াত সাশ্রয়, বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, খাবার খরচ কমানো ও জরুরি তহবিল গড়ে তোলাই এর প্রতিকার। আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে চাপ সামাল দিন।

গতকাল বুধবার পাইকারি ও খুচরা—দুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এতে বাড়তি দামের চাপ পড়বে সব শ্রেণির গ্রাহকের ওপর; বাদ যাননি গ্রামের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, দেশে ডিজেলের মজুত ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন। প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করবে সরকার। অকটেন ১০ হাজার ৫০০ টন ও পেট্রল ১৬ হাজার টন মজুত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।