
সিডনির ‘বাঙালিপাড়াকে’ ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা কট্টর ডানপন্থী সিনেটর পলিনের, আলবানিজের নিন্দা
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ‘বাঙালিপাড়া’ হিসেবে পরিচিত লাকেম্বাকে ‘নিষিদ্ধ এলাকা’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কট্টর ডানপন্থী দলের নেত্রী সিনেটর পলিন হ্যানসন

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ‘বাঙালিপাড়া’ হিসেবে পরিচিত লাকেম্বাকে ‘নিষিদ্ধ এলাকা’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কট্টর ডানপন্থী দলের নেত্রী সিনেটর পলিন হ্যানসন

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

বাঙালি মনন বৈচিত্র্যসূচক। এ চিন্তার পার্থক্য নিয়ে বাঙালি রক্তে সংকর, চেতনায় যৌগিক। শতধারা চিন্তা তার রক্তে মিশে আছে।

একজন বাঙালি চীনের ডালিয়ান শহরে বসে চীনা চা খেতে খেতে অনুভব করছেন শূন্যতা ও বাড়ির স্মৃতি।

কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি সাংস্কৃতিক চেতনায় এমন এক নাম, যা একই সঙ্গে আবেগ, ইতিহাস, বিদ্রোহ এবং জনমানসের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুই বাংলাতেই তাঁর নাম উচ্চারিত হয় প্রবল ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাসে।

বাঙালি অল্পতেই সন্তুষ্ট বলে একটা কথা আছে। মাওলানা ভাসানী এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষ দুবেলা ডালভাত খেতে পারলেই খুশি।’

অংকন ঘোষ দস্তিদারের ‘চা আর শিঙাড়ার গল্প’ প্রবন্ধে শিঙাড়ার সঙ্গে জীবনের নানা মুহূর্তের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে। শৈশব থেকে দূর পরবাস পর্যন্ত চা-শিঙাড়ার সঙ্গে জড়ানো অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক। এটি বাঙালি জীবনের আড্ডা ও স্মৃতির প্রতীক।

বাঙালি অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলিউডে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন। এক বিজ্ঞাপন থেকে গায়ের রঙের কারণে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি এটিকে গভীর সামাজিক সমস্যা বলে মনে করেন।

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি জাত্যভিমানে বাতাস দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জিততে চেয়েছিলেন।

বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়বাহী উৎসব বাংলা নববর্ষ। এটি কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ও বটে। সর্বোপরি বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সামষ্টিক জীবনের প্রতীক।

ফিনল্যান্ডে পয়লা বৈশাখ উদ্যাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন তায়েফ আহমদ চৌধুরী। সেখানের কৌভোলা শহরে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ উদ্যাপিত হয়, যা প্রবাসে বাঙালি ঐতিহ্য ও সংহতির উদাহরণ।

মৈত্রী পানিবর্ষণ আয়োজনে বান্দরবান জেলা শহরের রাজার মাঠে হাজারো পাহাড়ি ও বাঙালি হাজারো নারী-পুরুষের সমাগম হয়। পানিবর্ষণ উৎসবে যোগ দিয়েছেন সবাই।