
বই কিনতেই আসছেন পাঠকেরা
পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছিলেন সুজন মাহমুদ। প্রথমা, গ্রন্থিক প্রকাশনসহ বেশ কয়েকটি প্রকাশনী থেকে মির্জা গালিবকে নিয়ে লেখা কয়েকটি বই কিনতে চান তাঁরা।

পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছিলেন সুজন মাহমুদ। প্রথমা, গ্রন্থিক প্রকাশনসহ বেশ কয়েকটি প্রকাশনী থেকে মির্জা গালিবকে নিয়ে লেখা কয়েকটি বই কিনতে চান তাঁরা।

দুই হাজার বছর আগে গ্রিস থেকে বাংলায় এক যাত্রার বন্দরভিত্তিক খুঁটিনাটি বিবরণ লিপিবদ্ধ হয়েছে অজ্ঞাত জাহাজের লগবুকে। বাংলা অনুবাদ হারুন রশীদ করেছেন জি ডব্লিউ বি হান্টিংফোর্ডের ইংরেজি সংস্করণ থেকে। প্রথমা প্রকাশন থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এ প্রকাশিত এই গ্রন্থে প্রাচীন বাণিজ্য, বন্দর ও জাতিগোষ্ঠীর দুর্লভ তথ্য রয়েছে।

ক্লিন্টন বুথ সিলি যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় ভাষা ও সভ্যতা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক। বাংলা সাহিত্যের এই গবেষক লিখেছেন কবি জীবনানন্দ দাশের গবেষণামূলক জীবনী, ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য। ইউপিএল থেকে সম্প্রতি পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই বরিশাল অ্যান্ড বিয়ন্ড: এসেজ অন বাংলা লিটারেচার। ২১ জুন ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হলো তাঁর এই সাক্ষাৎকার, নিয়েছেন প্রিয়ম পাল।

বিশ্ব বই দিবসে ঐতিহাসিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন থেকে আধুনিক স্থাপত্যের বিস্ময়কর দৃষ্টিনন্দন স্থানগুলো প্রতিটি বইপ্রেমীর স্বপ্ন।

বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রের দেওয়া হিসাবে গতকাল মেলায় নতুন বই এসেছে ৬৫টি। নিয়মিতভাবে মেলার তথ্যকেন্দ্র থেকে নতুন বইয়ের প্রচার করা হচ্ছে।

নিউইয়র্ক শহরটা আমার বরাবরই খুব প্রিয়। ওখানে গেলেই আমি স্বভাবতই পুরোনো বুকস্টোরগুলোর দিকে চলে যাই। বার্নস অ্যান্ড নোবেলের ঝকঝকে স্টোরগুলো থেকে ওই পুরোনো তাক, ধুলা জমা বই, মানুষের হাতের আঁকিবুঁকি লেখা মার্জিন নোট আমাকে বেশি টানে।

বিকাশ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে আরও ৪০ হাজার বই দিয়েছে শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে। ২০১৪ সাল থেকে এই কর্মসূচিতে দেওয়া বইগুলো প্রায় ৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ হয়েছে, যা ৩৪ লাখের বেশি পাঠককে উপকৃত করেছে। এবারের বই ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানে যাবে, নতুন ৮০টি স্কুল সহ।

প্রতিটি স্টোরি টাইল থেকে শোনা যায় কোনো বইয়ের অংশবিশেষ। ওই অংশবিশেষ শুনে পছন্দ হলে গ্রাহক পুরো বইটি অডিবলের অ্যাপে পাবেন।

বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক পাকিস্তানি কূটনীতির তিনি ভেতরের একজন চরিত্র ও দর্শক। এখানে আছে তার বই মেমোয়ার্স অব এ বাইস্ট্যান্ডার/এ লাইফ ইন ডিপ্লোম্যাসি থেকে চুম্বক অংশ।

বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।

গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।

মোস্তফা মোহাম্মদের নতুন গ্রন্থ <em>বাংলাদেশের সাহিত্য: ভিন্নমাত্রা অন্যসুর</em> বাংলাদেশের সাহিত্যচিন্তাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উন্মোচিত করেছে। এটি ভাষা, সমাজ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর যাত্রা। বিখ্যাত সাহিত্যিকদের বিশ্লেষণসহ গ্রন্থটি পাঠকের জন্য মূল্যবান সঙ্গী।