
বাংলার নারীদের শৃঙ্খল ভাঙার ইতিহাস
প্রাচীন ভারতের সাহিত্য ও বেদে গার্গী, মৈত্রেয়ী প্রমুখ বিদুষী নারীর উল্লেখ পাওয়া গেলেও সাধারণ নারীর জীবন ক্রমশই সংকুচিত হতে থাকে।

প্রাচীন ভারতের সাহিত্য ও বেদে গার্গী, মৈত্রেয়ী প্রমুখ বিদুষী নারীর উল্লেখ পাওয়া গেলেও সাধারণ নারীর জীবন ক্রমশই সংকুচিত হতে থাকে।

এই গ্রন্থে তাঁদের আন্তরিক সম্পর্ক ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সৌহার্দ্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।

লেখক সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বিখ্যাত উক্তিটি স্মরণ করিয়ে দেন: ‘রাইটিং ইজ নাথিং আদার দ্যান আ গাইডেড ড্রিম’; অর্থাৎ লেখালিখি নিয়ন্ত্রিত স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়।

মহিউদ্দিন আহমদ লিখছেন, কারও চোখে তিনি শয়তান, কারও চোখে ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির। দুটোই চরম।

রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে রামমোহন, বিদ্যাসাগরসহ বাংলার রেনেসাঁস-মননের ধারাবাহিক বিকাশ এখানে স্পষ্টভাবে উদ্ভাসিত।

কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।

প্রত্নতত্ত্বের ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও লেখকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে সমাদৃত হবে এবং যুগ যুগ ধরে বাঙালি সাধারণ পাঠকদেরকেও মাতিয়ে রাখবে, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো আত্মিক বা শারীরিকভাবে যার যার অবস্থানে সংগ্রামশীল একেকজন সিসিফাস।

এখানে সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা, ধর্ম, গ্রাম-শহর সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন—সবই কালচারের আলোকে বিশ্লেষিত হয়েছে।

বইটিতে ১০ হাজারের বেশি ছবি রয়েছে। অর্ধেকের বেশি ছবি লেখকের নিজস্ব। সামগ্রিকভাবে উদ্ভিদপ্রেমীদের প্রয়োজন মেটাতে বইটি নানাভাবে সাহায্য করবে।

এই কর্মযজ্ঞে যে শাহ আবদুল করিম–সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের প্রস্ততি এবং অন্বেষা, অনুসন্ধান ও আবিষ্কারের ফসল, তা সার্থক।