
এবার মিসরকেও জার্সি বদলাতে বলল ফিফা, কিন্তু কেন
১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা মিসরও শামিল হয়েছিল সেই আনন্দে। কিন্তু সেই আনন্দে বাগড়া দিল ফিফা। ১৫ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জার্সি পুরোপুরি বদলে ফেলার।

১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা মিসরও শামিল হয়েছিল সেই আনন্দে। কিন্তু সেই আনন্দে বাগড়া দিল ফিফা। ১৫ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জার্সি পুরোপুরি বদলে ফেলার।

ফিফা গলির এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তাদের একজন সাজ্জাদ হোসাইন রাসেল। তিনি জানান, ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ থেকেই এই লেন সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের সম্মান নিশ্চিত করতে এফএফআইআরআই প্রধান মেহদি তাজ ফিফা সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন। কানাডা তাঁকে প্রবেশাধিকার দেনি আইআরজিসি-সম্পৃক্ততার অভিযোগে। ‘জি’ গ্রুপে ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ।

২০২৬ বিশ্বকাপে একাধিক হলুদ কার্ড দেখার ফলে নিষেধাজ্ঞার নিয়মে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে ফিফা।

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ও অংশগ্রহণ ফি বাড়াতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে আশার কথা জানিয়ে আসছিলেন। গত বুধবারও একই কথা বলেছেন তিনি।

মিসরের বিপক্ষে স্পেনের প্রীতি ম্যাচে দর্শকদের মুসলিমবিরোধী স্লোগানের ঘটনায় ফিফা স্প্যানিশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তারকা খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামাল ঘটনায় মর্মাহত হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বার্সেলোনা পুলিশও তদন্ত করছে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইরান ফুটবল দলের সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রেই হবে তাদের বিশ্বকাপ ম্যাচ। ইরানের প্রস্তুতিতে ফিফার সমর্থন অব্যাহত থাকবে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও সূচি পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই।

এবারের ফিফা বিরতিতে ড্রেসিংরুম সবচেয়ে বেশি ফাঁকা হয়েছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি ও ফরাসি ক্লাব পিএসজির।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরান ফুটবল দল যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে বলে আশা করছে ফিফা।

ব্রাসেলসে উয়েফার সাধারণ সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেখানে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ক্লাব বিশ্বকাপের বিষয়টি আলোচিত হয়।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম ইউক্রেনের রাষ্ট্রসমর্থিত মিরোতভোরেৎস ওয়েবসাইটের তথাকথিত ‘কিল লিস্ট’ বা ‘হত্যা তালিকা’য় যুক্ত করা হয়েছে।