
দুর্নীতি দমন ও সততার সঙ্গে কাজের প্রতিশ্রুতি ঢাকার দুই সিটির প্রশাসকের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসক বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম খান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসক বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া সারা দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে অন্তত দেড় হাজারে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।

বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেনকে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সরকারগুলো আপাতত রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ করে চালাবে বিএনপি সরকার।

তড়িঘড়ি করে ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়াকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি মনে করছে এনসিপি।

বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে আগের প্রশাসকদের সরিয়ে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। যারা এই পদগুলোতে নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা সবাই বিএনপির নেতা।

অবসায়নের অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান ৯টিকে অকার্যকর ঘোষণা করে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা স্বল্প ভোটে পরাজিত হন। গতকাল তাঁকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা আনন্দিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট–১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) হতে পারেননি জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। তবে দল তাঁকে নিরাশ করেনি। এবার তাঁকে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান বাস্তবতা, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেরই মেয়াদ পার হয়ে গেছে, কোনো কোনোগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রশাসকও বসানো হয়েছে এবং নতুন সরকার ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে সাংবিধানিক ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্তৃত্বে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।