
‘সে রাতের ঘটনা কত ভয়াবহ ছিল, আজ না দেখলে বুঝতাম না’
অঞ্জন চৌধুরী বলছিলেন, এই যে ধ্বংসযজ্ঞ এটা আমাদের জন্য, আমাদের জাতির জন্য একটা লজ্জার বিষয়।

অঞ্জন চৌধুরী বলছিলেন, এই যে ধ্বংসযজ্ঞ এটা আমাদের জন্য, আমাদের জাতির জন্য একটা লজ্জার বিষয়।

অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পী মাহবুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’।

মুক্তকণ্ঠের আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবনে গতকাল বুধবার শুরু হলো শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’।

নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, মুক্তকণ্ঠ ভবন যেভাবে পোড়ানো হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় সরকারের দিক থেকে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নেওয়া হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

উগ্রবাদীদের সুসংগঠিত হামলা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠ ভবনে শিল্প প্রদর্শনীতে এসে বিদেশি কূটনীতিকেরা সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাঁদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাস ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ বলছে, হামলাকারী ও উসকানিদাতাদের অনেকে শনাক্ত হয়েছে। পরিকল্পনায় কারা—তদন্ত চলছে, বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘আলো’ শীর্ষক এ আয়োজন দেখতে এসেছিলেন সরকারের প্রতিমন্ত্রী, খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী, কূটনীতিক, অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

মুক্তকণ্ঠের ভবন নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের তৈরি ‘আলো’ শীর্ষক প্রদর্শনী। প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন ‘সাঁতাও’ নির্মাতা খন্দকার সুমন।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ অনেক দর্শনার্থী প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠেছেন তাঁরা।