
ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি সদস্য
ভোটের ফলাফল নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন আবদুস সবুর।

ভোটের ফলাফল নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন আবদুস সবুর।

কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসনে অতীতে বিএনপি সাধারণত জামায়াতে ইসলামীর জন্য আসনটি ছেড়ে দিত। তবে দীর্ঘদিনের জোট রাজনীতির সমীকরণ ভেঙে গেছে।

শপথ গ্রহণ শেষে পয়গাম আলী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘২০২১ সালের নির্বাচনে আমি প্রকৃত বিজয়ী ছিলাম। অনৈতিকভাবে আমাকে পরাজিত দেখানো হয়েছিল।’

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।

আবেদনকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে চারজন বিএনপির ও অপর একজন জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী। যে পাঁচ আসনে ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো হলো ঢাকা-৫, ঢাকা-১৩, পাবনা-৩, গাইবান্ধা-৫ এবং কুষ্টিয়া-৪ আসন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৬ আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির দুজন প্রার্থীর করা পৃথক দুটি নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের আসনগুলোতে বরাবরই ভালো ফল করে আসছিল বিএনপি; কিন্তু ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে হোঁচট খায় দলটি।

জামায়াত সরকার গঠন করার মতো অবস্থানে যেতে না পারলেও তাদের ফল ভালো হয়েছে। কারণ, তারা এর আগে কখনোই ১৮টির বেশি আসন পায়নি।

কেউ যেন জনগণের ভোটের অধিকারকে ছিনতাই করতে না পারে, ষড়যন্ত্র করে ভোটের ফল পাল্টে দিতে না পারে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

ফলাফল প্রকাশের ১৩ দিন পর গণভোটের ফলাফল সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ ও চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের ফল প্রকাশের আবেদন নথিভুক্ত হয়েছে। জামায়াত প্রার্থীদের আপিল শুনানির জন্য ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন এই বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার আদেশ দেন।