
যেকোনো মার্কিন হামলার তাৎক্ষণিক শক্তিশালী জবাব দিতে তেহরান প্রস্তুত: ইরান
গত বছরের জুনে ইসরায়েলের কয়েক দিনব্যাপী সামরিক হামলা থেকে ইরান ‘মূল্যবান শিক্ষা’ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন আব্বাস আরাগচি।

গত বছরের জুনে ইসরায়েলের কয়েক দিনব্যাপী সামরিক হামলা থেকে ইরান ‘মূল্যবান শিক্ষা’ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন আব্বাস আরাগচি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের (বিক্ষোভকারীদের) কোনো পরিকল্পনা নেই।

মাত্র কয়েক দিন আগেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উন্মাদ ও নরাধম (স্কামব্যাগ) নামে অভিহিত করেছিলেন।

ইসরায়েল আজ শনিবার ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে, যাকে তারা ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ বলছে।

ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন

সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনার পর তেল, ব্যাংকিং ও পরিবহন খাতে কিছু ছাড়ের ইঙ্গিত মিলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই কৌশলগতভাবে লাভবান হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

গত রোববার রাতে ওয়াশিংটন–তেহরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করে।

যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।

৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে ওয়াশিংটন ও তেহরান; কিন্তু এ যুদ্ধবিরতি বেশ ভঙ্গুর।

৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে ওয়াশিংটন ও তেহরান; কিন্তু এ যুদ্ধবিরতি ছিল ভঙ্গুর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইরান যুদ্ধ’ শুরু করার পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে তেহরান।