
ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিলেন ট্রাম্প, কারণ কী
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, গত মার্চ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত আমদানি করা জ্বালানি তেলের এলসি পরিশোধের হিসাবে বিপিসির প্রকৃত লোকসানের পরিমাণ ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকার বেশি।

দ্রুততম সময়ে এলপিজি আমদানির জন্য ১১টি দেশের সরকারি তেল কোম্পানির কাছে এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে বিপিসি।

মার্চে জ্বালানি সরবরাহ হলেও মজুত শেষের দিকে। এপ্রিলে সূচি মেনে আমদানি দরকার। ডিজেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ, সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম অস্থির, দেশে আমদানি খরচ বেড়ে লোকসান হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। যুদ্ধবিরতিতে দাম কমলেও অনিশ্চয়তায় আবার বেড়েছে। সুফল পেতে সময় লাগবে বলছেন খাতের সংশ্লিষ্টরা।

ইরান যুদ্ধের পর অকটেন সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশে চাহিদার অর্ধেক অকটেন উৎপাদিত হয়, বাকি আমদানি। এপ্রিলে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্যানিক বায়িংয়ে লাইন বাড়ছে।

জ্বালানি সংকটে মুন্সিগঞ্জের মেঘনা ও মুক্তারপুর ঘাটে ৫০টির বেশি লাইটার জাহাজ দাঁড়িয়ে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে নৌপথের পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। কালোবাজারি ও সরবরাহের অভাবে শিল্পকাঁচামাল আমদানি স্থবির।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এপ্রিলে চার লাখ টন ডিজেলের চাহিদা, এ মাসে দুটি জাহাজ এসেছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করছে।

যুদ্ধের আগে একই পরিমাণ তেল আমদানিতে খরচ পড়েছিল প্রায় অর্ধেক। সৌদি আরব থেকে সর্বশেষ তেল এসেছে জানুয়ারি মাসে।

আজ শনিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় কমিটির জরুরি বৈঠকে ১৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করবেন।

রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায় চেয়েছে বাংলাদেশ।