
মতিঝিলে গুলি করে ডলার ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মামলা করেননি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. লোকমান। তাঁর হাত–পায়ে চারটি গুলি লেগেছে। তিনি রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মামলা করেননি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. লোকমান। তাঁর হাত–পায়ে চারটি গুলি লেগেছে। তিনি রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বার্তার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখনো স্থায়ী সমাধান কী হবে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে আছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আজ বৃহস্পতিবার ডলারের গড় দাম অপরিবর্তিত ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। মুদ্রাবাজারে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে ইউরোসহ কয়েকটি মুদ্রার দাম কমেছে এবং ইউয়ানের দাম বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আজ বুধবার ডলারের গড় দাম অপরিবর্তিত ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় রয়েছে। মুদ্রাবাজারে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে ইউরোসহ কয়েকটি মুদ্রার দাম কমেছে এবং পাউন্ডের দাম বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আজ মঙ্গলবার ডলারের গড় দাম অপরিবর্তিত ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। মুদ্রাবাজারে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে, ইউরো-পাউন্ড কমলেও ইউয়ানের দাম বেড়েছে। দুই মাস ধরে বিদেশি মুদ্রার দাম ওঠানামা চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, আজ বৃহস্পতিবার ডলারের গড় দাম অপরিবর্তিত ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। বেশিরভাগ প্রধান মুদ্রার দর বেড়েছে, কোনোটির দাম কমেনি। মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ কারণে দুই মাস ধরে মুদ্রার দাম ওঠানামা চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, আজ রোববার ডলারের গড় দাম ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা, যা অপরিবর্তিত। ইউরো, পাউন্ডসহ অন্যান্য মুদ্রার দাম বেড়েছে, রুপির কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, আজ ডলারের গড় দাম ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। ইউরো, পাউন্ডসহ কয়েকটি মুদ্রার দাম বেড়েছে, মার্কিন ডলারের কিছুটা কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মুদ্রার দাম ওঠানামা চলছে।

বিদেশি ঋণ গত বছরের জুনের চেয়ে সেপ্টেম্বরে কমেছে। তবে সেপ্টেম্বরের চেয়ে ডিসেম্বরে বেড়েছে।

রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (আরএআইএসই) প্রকল্পের আওতায় চার লাখের বেশি মানুষ সরাসরি এবং আরও চার-পাঁচ গুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন।

‘আমরা (অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে) যা করেছি, তা হলো দেশে ডলারের তীব্র ঘাটতি সৃষ্টি করা।’

উৎপাদনমুখী খাতে লেনদেনে এগিয়ে এমজিআই, প্রাণ ও আবুল খায়ের গ্রুপ। ছিটকে গেছে বসুন্ধরা।