
ফল উৎপাদনে পিছিয়ে খাগড়াছড়ি
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই অগ্রগতির চিত্র সব জেলায় সমান নয়। উৎপাদনের দৌড়ে বান্দরবান ও রাঙামাটি এগিয়ে থাকলেও খাগড়াছড়ি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই অগ্রগতির চিত্র সব জেলায় সমান নয়। উৎপাদনের দৌড়ে বান্দরবান ও রাঙামাটি এগিয়ে থাকলেও খাগড়াছড়ি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

রেজাউল করিম খন্দকারের বাড়িটির অবস্থান মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এক প্রান্তে, বড়লেখা উপজেলার সরিয়া গ্রামে। বাড়ি এখন দেশি-বিদেশি দুর্লভ সব ফল-ফুলের এক মায়াবী উদ্যান হয়ে উঠেছে।

একসময়ের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরবঙ্গ আজ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত। মাঠের পর মাঠ আবাদযোগ্য জমি থাকলেও সেখানে প্রাণ দেওয়ার মতো পানি নেই।

‘রাজা নেই, শাহি নেই—রাজশাহী নাম/ হাতি-ঘোড়া কিছু নেই আছে শুধু আম’—এই গানের কথা থেকে দিনে দিনে বেরিয়ে আসছে রাজশাহীর পরিচয়। কয়েক বছর আগে রাজশাহী সারা দেশের মধ্যে সবজি চাষে সেরা হয়েছিল।

অন্যান্য বছর শীত মৌসুমের এ সময়ে টমেটোর দাম আরও কম থাকে। কিন্তু এবার টমেটোর দাম অনেকটাই বেশি। সরবরাহ কম থাকায় দাম তুলনামূলক চড়া।

সীতাকুণ্ডে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালে। সে বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১৩ শতক জমিতে ১ হাজার ২০০ চারা লাগানো হয়। রঙের ভিন্নতার কারণে খুব দ্রুত স্থানীয় বাজারে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যার কারণে পরের বছর থেকে চাষাবাদও বেড়ে যায়। ২০২৪ সালে চাষাবাদ হয় ৩ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে সীতাকুণ্ডের ৪ হেক্টর জমিতে রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে।

দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির সম্প্রসারণ জরুরি।

বাড়ির পাশের জমিটি কয়েক বছর আগেও ছিল পরিত্যক্ত। পাহাড়ি ঢালু এলাকা হওয়ায় সেখানে চাষাবাদ করা যেত না। সে জমিতে শখের বসে ৩২ জাতের আমগাছ লাগান ফরিদুল আলম (৪৮)। এই চাষে প্রথমবারই সাফল্য পেয়েছেন তিনি। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়।

দেশে ২০০০ সালের দিকে গবেষণা ও পরীক্ষামূলকভাবে ব্রকলির চাষাবাদ শুরু হয়। এর এক দশক পরে ব্রকলির বাণিজ্যিক চাষ শুরু। তবে ব্রকলির চাহিদা বাড়তে থাকে ২০২২ সাল থেকে।

শীতপ্রধান দেশের ফল হলেও এখন দেশেও চাষাবাদ হচ্ছে স্ট্রবেরির। চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষিরা এটি চাষে ঝুঁকছেন।

বাংলাদেশে সংঘতন্ত্র যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে সংঘতান্ত্রিক শাসন নিয়ে আসতে চাইছে, তা বাইরের দিক থেকে দেখলে গণতান্ত্রিক বলে মনে হলেও এর মাধ্যমে জনমনস্তত্ত্বে একটি অগণতান্ত্রিক ভাবাদর্শের চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্যোগে ময়মনসিংহের চকনজু গ্রাম পরিণত হয়েছে আধুনিক ‘প্রযুক্তি গ্রামে’। মাঠে ৬১ জাতের ধানের প্রদর্শনী ও প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে স্বস্তি ফিরেছে কৃষকদের মধ্যে।