
গ্যাস-সংকট কাটছেই না, ভরসা এখন বৈদ্যুতিক চুলা
প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ—দুটোতেই সংকট দেখা দেওয়ায় ঢাকাজুড়ে বাসিন্দারা প্রতিদিনের রান্না চালাতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।

প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ—দুটোতেই সংকট দেখা দেওয়ায় ঢাকাজুড়ে বাসিন্দারা প্রতিদিনের রান্না চালাতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।

বৈশ্বিক সংকটে কাতার-ওমান থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, খোলাবাজার থেকে দ্বিগুণ দামে কিনে গ্যাস ধরে রাখা হচ্ছে। তবু গ্যাস ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে লোডশেডিং বাড়ছে। ভর্তুকি ও ডলারের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ

খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমদানি বাড়লেও বাজারে এখনো সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দরে এলপি গ্যাস কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পুরোদমে জ্বালানি তেল সরবরাহ জুন মাসের শেষে শুরু হবে।

যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বেড়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। গতকাল একদিনে অপরিশোধিত তেলের দাম ১৬% এবং এলএনজির দাম ১৮% কমলেও সরবরাহ বাড়ার আশা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে আটকে থাকা তেল-এলএনজি ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য আপাতত স্বস্তি এসেছে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, গত মার্চ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত আমদানি করা জ্বালানি তেলের এলসি পরিশোধের হিসাবে বিপিসির প্রকৃত লোকসানের পরিমাণ ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকার বেশি।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

ভোক্তারা দোকানে দোকানে ঘুরেও সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না। আবার কেউ সিলিন্ডার পেলেও দাম দিতে হচ্ছে দেড়-দুই গুণ।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম বেড়ে গেছে। ঋণের খোঁজ করতে ইআরডিকে চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ের।

গ্যাস-সংকটে ভরসা ছিল কয়লাবিদ্যুৎ। বকেয়া বিল, কয়লাস্বল্পতা ও কারিগরি কারণে সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না।

ভারতের রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডপ্রেমীদের মনেও একধরনের অস্বস্তি তৈরি করছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ।