
পদ্মা সেতুর আগের–পরের গল্প
মেঘনার পানি ছিল স্বচ্ছ নীল। ওদিকে পদ্মার পানি ছিল ঘোলা। ঠিক এখানে বিস্ময়ে পৃথিবী থমকে দাঁড়ায়। দুটো নদীর পানি একে অপরের সঙ্গে মেশে না। পাশাপাশি সমান্তরাল দুটো নদী।

মেঘনার পানি ছিল স্বচ্ছ নীল। ওদিকে পদ্মার পানি ছিল ঘোলা। ঠিক এখানে বিস্ময়ে পৃথিবী থমকে দাঁড়ায়। দুটো নদীর পানি একে অপরের সঙ্গে মেশে না। পাশাপাশি সমান্তরাল দুটো নদী।

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে অর্কর জায়গায় নিজেকে, বিন্দুর জায়গায় বৃষ্টিকে আর ছোট খালার জায়গায় মাকে কল্পনা করে আরিফুল। আর খালু খালুর জায়গায়ই থাকে। এই কল্পনা কি খুবই অন্যায্য কল্পনা?

জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

১৪১টি দেশের ৩ হাজার ৭৪৭ আলোকচিত্রীর তোলা ৫৭ হাজারের বেশি ছবি জমা পড়েছিল এবার। ছয় অঞ্চলের প্রতিটিতে ৭টি করে মোট ৪২টি ছবি বিজয়ী হয়েছে।

উইকেন্ডে যেহেতু দেখলাম ছুটি আছে আর পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে, এদিকে ও যেহেতু চীনের কিছুই আসলে চেনে না, আর ভাষাগতও একটা জটিলতা আছে, তাই আর তেমন কিছু না ভেবে টিকিট কেটে প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম ডালিয়ান থেকে গুয়াংজুর উদ্দেশে।

দেশের মাটি ছাড়িয়ে বিদেশের প্রতিকূল পরিবেশে মোহাম্মদ হাকিমের এই সাফল্য বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এক নীরব গর্বের কাহিনি হয়ে থাকবে।

পরিচালককে ধন্যবাদ এমন একটা সময়োপযোগি ছবি তৈরি করার দুঃসাহস দেখানোর জন্য। মেয়েদের কেন্দ্র করে এমন থ্রিলার বানানোর জন্য অবশ্যই তিনি ধন্যবাদ পাবেন। তবে কাহিনির যোগসূত্রের দিকে আরও একটু নজর দেওয়া যেত।

ঘুম ভেঙে চোখ খুললে এক বিশাল ক্যাকটাস দেখি, যার কাঁটায় শুরু হয় আমার জীবনের রহস্যময় যাত্রা। অপুষ্ট শৈশব, স্কুলের দিন, দাদির মৃত্যু এবং পরিত্যক্ত বাড়ির পেছনে ফিরে আসা—এক অদ্ভুত ইকোসিস্টেমে বেঁচে ওঠা। শেষে ক্যাকটাসের শিকড় আমাকে জড়িয়ে ধরে সত্য প্রকাশ করে।

অল্প সময়ের মধ্যেই সে সেই বাক্সের ভেতরেই বড় হতে শুরু করল। প্রতিবছর শেষের বালিশ থেকে একটু করে তুলা বের করে দেওয়া হতো, যাতে তার বৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি হয়।

বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের ছাত্র। সপ্তাহে চারটি টিউশনি করে মোটামুটি আয়-উপার্জনও আছে আমার।

আশরাফ ততক্ষণে সাহানুর নিটোল হাতটা টেনে তুলে ফেলেছে নিজের চোখ আর নাকের বড্ড কাছে। অস্ফুট আড়ষ্ট কণ্ঠে সাহানুর মৃদু গুঞ্জন ভেসে আসল।

আচ্ছা তুমি কি বলতে পারো—এর নাম ফুলকপি হলো কেন? ‘ফুলকলি’ হলে ভালো হতো না? অথবা ‘ফুলকুমারী’ কিংবা ‘ফুলঝুরি’। ‘ফুলখুকি’ নইতো বা ‘ফুলকুঁড়ি’। ফুলকপি দেখতে এতই সুন্দর আমার মনে হয়, ‘ফুলসুন্দরি’ নামটা হলে ওর জীবনটা সার্থক হতো।