
অত্যাচার সহ্য করেও গণতন্ত্র এগিয়ে নিয়েছেন খালেদা জিয়া: মির্জা আব্বাস
অত্যাচার সহ্য করেও গণতন্ত্র এগিয়ে নিয়েছেন খালেদা জিয়া: মির্জা আব্বাস

অত্যাচার সহ্য করেও গণতন্ত্র এগিয়ে নিয়েছেন খালেদা জিয়া: মির্জা আব্বাস

আসলে সাংবাদিকেরা আমাকে নিয়ে বেশি জানে না। জানার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক সময় ঝড়ে বক মরে, তখন মনে করে ফকিরের কেরামতি!

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি পদে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক না রাখার সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। একদল মনে করছে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে অনেকেই বলছেন—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও পরিচালনায় দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত স্থানীয় অভিজ্ঞ ও সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি মূলত ডিগ্রি-নির্ভর নেতৃত্ব বনাম সামাজিক অভিজ্ঞতা ও কমিউনিটি নেতৃত্বের মধ্যে একটি বিতর্ক হিসেবে সামনে এসেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ কীভাবে ভারসাম্যের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়—এটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

শনিবার দুপুরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

নাগরিকেরা জানেন, তাঁরা ভোট না দিলে তাঁদের হয়ে সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিয়ে নেবে এবং সেটাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

‘গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ওপর সবার আস্থা ছিল।’

সংলাপে দলিত ও হারিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, নির্বাচন এলেই তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।

বিএনপির ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

রাজনীতিতে সেনা হস্তক্ষেপকে গণতন্ত্রের সংকট হিসেবেই দেখা যায়। গণতন্ত্র যত দিন না দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে, তত দিন সেনা হস্তক্ষেপের সুযোগ বা ঝুঁকি থেকেই যাবে।

পাকিস্তানের রাজনীতি যে বর্তমানে ঢিলেঢালা অবস্থায় রয়েছে, তা বলার বাকি রাখে না। ইমরান খানের অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানের গণতন্ত্র যেমন ভঙ্গুর, তেমনি দিনে দিনে তা এক প্রক্সি ‘সেনাশাসন’–এর বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলছে।

চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করার আগে থামা, প্রশ্ন করা—কার লাভ হচ্ছে এই গল্পে বা বয়ানে এবং প্রমাণকে আবেগের ওপরে স্থান দেওয়াই এখন গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান হাতিয়ার।

আজ আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মানুষের চিন্তা অনুকরণ করছি, মঙ্গলগ্রহে বসতি গড়ার স্বপ্ন দেখি, অথচ পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনো ভোট দিয়ে ক্ষমতা বদলাতে পারে না। প্রযুক্তি উড়ছে, গণতন্ত্র হাঁটছে, আর মানবাধিকার অনেক জায়গায় এখনো হামাগুড়ি দিচ্ছে।