
ভিন্ন পন্থায় খেলাপি আদায় করে ব্যাংক এশিয়ার চমক
গত বছরের মাঝামাঝিতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়। নানা উদ্যোগের ফলে বছর শেষে তা ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

গত বছরের মাঝামাঝিতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়। নানা উদ্যোগের ফলে বছর শেষে তা ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১১টি এস আলম গ্রুপের, সালমান এফ রহমানসহ সাবেক এমপি-উপদেষ্টাদের কোম্পানি রয়েছে। মোট খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের সংকট, রাজনৈতিক প্রভাব, খেলাপি ঋণ ও ইসলামী ব্যাংকিংয়ে বিরাজমান সংকট সমাধানে সেমিনারে নীতিগত ও নৈতিক সংস্কারের আহ্বান জানানো হয় সেমিনারে।

প্রথম ধাপে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম এবং শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন–সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, প্রথমে ৪ শতাংশ সুদে ১৫০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সুদ ৯-১১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া করোনাভাইরাসসহ নানা সমস্যা ঋণ পরিশোধে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল।

নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে কিছু ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও পরিবারকেই বিশাল বিশাল অঙ্কের ঋণ দেওয়া হয়েছে। সেই ঋণের টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে, ঋণখেলাপি হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব শুধু সরকারের প্রশংসা করা নয়, বরং গঠনমূলক মতামতের মাধ্যমে আরও কার্যকর বাজেট প্রণয়নে ভূমিকা রাখা।

ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার

বাংলাদেশ ব্যাংক মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণে দণ্ড সুদের হার কমিয়ে সর্বোচ্চ ০.৫% করেছে। বিনিয়োগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে এই হার ছিল ১.৫%।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে’ দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে—স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এমন মন্তব্যকে ঘিরে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা আপিলে দুই অ্যামিকাস কিউরি মনোনীত, পরবর্তী শুনানি ১৫ জুন নির্ধারিত।