
হেদায়েতের পথে কীভাবে অবিচল থাকবেন
কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।

অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?

কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।

কোরআনের কারুনের কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে আদর্শবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ফিতনা এবং পতন রোধের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। কারুনের অহংকার, সম্পদের মোহ এবং দলের বিভাজনের ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত। ফেরাউন, হামান ও কারুনের চক্রের প্রতীকী অর্থও আলোচনা করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।

কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।

দার্শনিক প্রশ্ন অনেক সময় কেবল প্রশ্নের খাতিরেই করা হয়, কিন্তু কোরআনের প্রশ্ন মানুষকে এক গভীর জীবনবোধ ও নৈতিক দায়বদ্ধতার দিকে নিয়ে যায়।

প্রযুক্তির ব্যবহার ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, তবে যুক্তিশীল সুনির্দিষ্ট সীমা থাকা জরুরি। এআইকে টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ফতোয়া প্রদানকারী হিসেবে গ্রহণ করা বিপজ্জনক।

যখন মানুষ জানতে পারে যে এই তুচ্ছ প্রাণিটিরও তার মতো একটি নির্দিষ্ট সামাজিক বা প্রজাতিগত পরিচয় আছে, তখন তাদের প্রতি হৃদয়ে সহমর্মিতা জাগ্রত হয়।

যখন একটি জাতি তার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে বংশ বা বর্ণকে বাদ দিয়ে ‘তাকওয়া’ বা নৈতিকতাকে গ্রহণ করে, তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক ফেতনার কোনো স্থান থাকে না।