
ইরান যুদ্ধে কি সত্যিই কারো বিজয় সম্ভব?
এক মাস ধরে চলছে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। এই যুদ্ধে কি কেউ সত্যিকার বিজয়ী হবে, নাকি জয়-পরাজয় আপেক্ষিক? হরমুজ প্রণালী ও আন্তর্জাতিক তত্ত্বের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন।

এক মাস ধরে চলছে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। এই যুদ্ধে কি কেউ সত্যিকার বিজয়ী হবে, নাকি জয়-পরাজয় আপেক্ষিক? হরমুজ প্রণালী ও আন্তর্জাতিক তত্ত্বের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের বয়স ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ইয়েমেনি পরিবারের চার বছরের নিচের প্রতি আট শিশুর একজন নিখোঁজ হয়ে গেছে।

ইসরায়েল আজ শনিবার ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে, যাকে তারা ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ বলছে।

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে ইরানের জনগণকে অস্ত্রে হাতে তোলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

ইসলামাবাদে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত নিরসনে আলোচনা শুরু হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় দুই পক্ষ এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে কাজ করছে, যাতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। তবে কয়েকটি বড় বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্রকে করে আবারও মুখোমুখি ইরান ও ইসরায়েল। ট্রাম্পের আহবানকেও তোয়াক্কা করছেন না নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।