
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির লক্ষ্যে তুরস্ক, সৌদি, মিসর ও পাকিস্তানের বৈঠক
তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিপজ্জনক ধারণা হচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান অথবা ইসরায়েলের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে অতীব সরল এ ধারণা কৌশলগত দিক থেকে বিভ্রান্তিকর।

গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরোনো নিরাপত্তাকাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে।

মিসরের জনগণের গড় বয়স প্রায় ২৪ বছর। বিশ্বের যেসব দেশে তরুণদের সংখ্যা বেশি, মিসর তার মধ্যে একটি।

লাতিন আমেরিকার সমাজ আরব সমাজের মতোই। সেখানে দেশগুলোকেও আত্মমগ্ন ও জনতুষ্টিবাদী নেতাদের বোঝা বইতে হয়। আমি ২০০৭ সালে কারাকাস গিয়েছিলাম। তখন শহরটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার মনে হয়েছিল। শহরটিকে ঘিরে বেশ কিছু বস্তি ছিল। আমাদের গাইড আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বস্তিবাসীরা সবাই অভিবাসী। উন্নত জীবনের আশায় লাখ লাখ মানুষ এই তথাকথিত ধনী দেশে এসে জড়ো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি শেষ পর্যন্ত স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানে যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দুটি বিষয় ইতিমধ্যেই পরিষ্কার। এক. যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতা বড় ধাক্কা খেয়েছে। দুই. উপসাগরীয় দেশগুলো এক কঠিন ও অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েছে।

সম্প্রতি (১৫-২০ মে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালিতে কূটনৈতিক সফর করেছেন। এক সফর ক্রমবর্ধমান খণ্ডবিখণ্ড বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থায় ভারতকে একটি প্রভাবশালী ক্রীড়নকে পরিণত করার একটি প্রচেষ্টা।

ইরান উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণে ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ট্রাম্পের বারবার হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে এসেছে আরব এই দেশ।

আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।

ইরানের বন্দর আব্বাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্লাইট ৬৫৫ শহীদ বিমানবন্দর’।