
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাতের নেপথ্যে কী, এতে ভারতের কী প্রভাব
একসময়ের মিত্র পাকিস্তান ও আফগান তালেবানের বর্তমান সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তাকে বিপজ্জনক খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে।

একসময়ের মিত্র পাকিস্তান ও আফগান তালেবানের বর্তমান সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তাকে বিপজ্জনক খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে।

রোববারের হামলার পর দুই সাবেক মিত্রের মধ্যে চলমান বিরোধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে উভয় পক্ষ কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষে জড়িয়েছিল।

গতকাল শনিবারের এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মাটির ১০০ কিলোমিটার গভীরে।

গত ২৭ মে তালেবান ও রাশিয়ার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাবিষয়ক যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

আফগানিস্তানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যোগ্য নারীর সংখ্যা দ্রুত কমছে।

কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। ইসলামাবাদ মনে করে, টিটিপি বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান গোষ্ঠী আফগান মাটি ব্যবহার করে এসব হামলা চালাচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ দেশটির তিনটি অঞ্চলে হামলা চালায় পাকিস্তান। এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হন।

গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে পাকিস্তান–আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।

আফগানিস্তানের জালালাবাদ শহরে পাকিস্তানের একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার যে প্রচেষ্টা তৃতীয় কয়েকটি দেশ শুরু করেছিল, এই হামলার ফলে সেগুলোও ব্যর্থ হয়। শুরু হয় ‘ওপেন ওয়ার’।

২০০৭ সালে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি জোট গঠন করে। তারা নিজেদের নাম দেয় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)।

আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ তো বটেই, এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজেও নাভিনকে পাচ্ছে না আফগানরা