
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হলে দেখা দিতে পারে বিশ্বমন্দা, আইএমএফের সতর্কবার্তা
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

জুনে আইএমএফের কাছে ঋণের কিস্তি চায় বাংলাদেশ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক শেষে ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসবে।

শেয়ারবাজারের এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘আপনারা যদি মনে করেন, আইএমএফ কিছু টাকা দিলেই ধনী হবেন, সেটি অসম্ভব। পৃথিবীর কোন দেশ আইএমএফের টাকায় ধনী হতে পারে নাই। ধনী হতে হলে নিজেদেরই করতে হবে।’

বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নির্বাচনে সাফল্য এনেছে, কিন্তু বৈষম্য, দুর্নীতি ও বিদেশি চাপের বাস্তবতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের চাপ অগ্রাহ্য করে সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব কি? মার্কিন শুল্কচুক্তির মতো বিষয়ে সরকারের অবস্থান জনগণ জানতে চায়।

আইএমএফ বলেছে, যুদ্ধ এখনই শেষ হলেও প্রভাব কাটতে কয়েক মাস সময় লাগবে

ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার না করলে দেশকে অনেক বেশি মূল্য চুকাতে হবে বলে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সতর্ক করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো সংশোধন সম্ভব হলেও সংস্কার থেকে পিছিয়ে যাওয়া যৌক্তিক নয়। আইএমএফ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য এগুলো জরুরি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ) বলছে, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়বে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।

দেশের অর্থনীতি জটিল সময় পার করছে, তবে প্রবাসী আয় ভালো। আইএমএফের সংস্কার শর্ত থেকে পিছু হটলে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর জরুরি।

আমরা কোনো শর্ত ছাড়াই ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছি, যা আইএমএফের সহায়তার চেয়েও বেশি। এর ফলে বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ঢুকেছে।’

যত দূর মনে পড়ে, আমরা অর্থনীতি বা ব্যবসায় প্রশাসন পাঠকালে যখনই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের কথা শুনেছি, তখন থেকেই জেনেছি রপ্তানি বাড়াতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন করতে হবে আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে সুদের হার বৃদ্ধি।