
বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল প্রেক্ষাপটহীন খণ্ডিত বক্তব্যের ভিডিও
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের বক্তব্য খণ্ডিত করে ধর্মীয় আঙ্গিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের ঘটনা ঘটছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের বক্তব্য খণ্ডিত করে ধর্মীয় আঙ্গিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের ঘটনা ঘটছে।

বাংলাদেশকে নিয়ে ৭৩ ভারতীয় গণমাধ্যমের ১৪০ প্রতিবেদনে অপতথ্যের প্রমাণ

এআই দিয়ে তৈরি ছবি-ভিডিও চিনবেন কী করে

ছবি ও ভিডিও ভুল করে সত্যি ভাবার পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়েছে এআই। তাতে দেখা মানেই বিশ্বাস করার যে অভ্যাস, তা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই ছবি-ভিডিও দেখে বিশ্বাস করার আগে যাচাই করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে (৩০ মে-৫ জুন পর্যন্ত) তাদের ওয়েবসাইটে মোট ৮৯টি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুরোনো ভিডিওকে নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য।

রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।

গত সপ্তাহে দেশের তথ্য যাচাইকারী চারটি প্রতিষ্ঠান যে ১০১টি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে ৪৬টিই রাজনীতিকেন্দ্রিক। আর অপতথ্য সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ফেসবুকে, তারপরই রয়েছে টিকটিক ও ইনস্টাগ্রাম।

বাংলাদেশে অনলাইন অপতথ্য, উসকানিমূলক কনটেন্ট বা আধেয় এবং এর জেরে বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া সহিংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিএনপি সরকারের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে নানা অপতথ্য ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে; অনেকে বিশ্বাস করে সেসব তথ্য শেয়ারও করছেন। তবে ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এসব তথ্য ভিত্তিহীন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

২০২৫ সালজুড়ে অনলাইন মাধ্যমে চার হাজারের বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৯১টিই রাজনৈতিক।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অপতথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা জরুরি।