
বিএনপি কি একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি হাতে পেয়েছে
একাত্তরে শরণার্থী হয়ে গারো পাহাড়ে গিয়ে উঠেছিলাম। বাবা ছিলেন শিক্ষক। তাঁর এক দেশান্তরী ছাত্রের বাড়িতে শেষতক আশ্রয় পেলাম বারেঙ্গাপাড়ায়।

একাত্তরে শরণার্থী হয়ে গারো পাহাড়ে গিয়ে উঠেছিলাম। বাবা ছিলেন শিক্ষক। তাঁর এক দেশান্তরী ছাত্রের বাড়িতে শেষতক আশ্রয় পেলাম বারেঙ্গাপাড়ায়।

একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে রাজনৈতিক সরকারগুলো তো বটেই, অন্তর্বর্তী সরকারও তাদের সন্দেহাতীত অঙ্গীকার দেখাতে পারেনি।

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই করে শেষ করেছে। ১৪-১৫টি বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বিএনপির অবস্থানে একমত হয়নি এবং ভিন্নমত দিয়েছে। কমিটিকে ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারা দেশে নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নাগরিক কোয়ালিশন।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, তাঁর মেয়াদ হবে দুই বছর।

সভায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়

সংবাদ সম্মেলনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ প্রণয়নে সংস্কারবিমুখতা’ শীর্ষক টিআইবির একটি পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সীমিত ক্ষমতা ও রাজনৈতিক ম্যান্ডেটের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-র ৫৮তম সমাবর্তনে তিনি অর্থনীতির সংকট, ব্যাংক খাতের চ্যালেঞ্জ ও সংস্কারের কথা তুলে ধরেন। উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নৈতিক নেতৃত্বের আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের যে উপদেষ্টা জাতীয় স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তির মূল কারিগর, তাঁকেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার সমালোচনা করা হয় সভায়।

‘আমি এ দেশের মাটি ও বাতাসের মাঝে নিরাপদভাবে বেঁচে থাকার পরিবেশ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে দেখতে চাই। এ রকম একটা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে নীতিনির্ধারক তৈরি করার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করুন’।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পাস না হলে অকার্যকর হয়ে যাবে। এতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও গুমের বিচার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। সরকার নতুন বিলের প্রতিশ্রুতি দিলেও আস্থা ফিরবে না।

মধ্যযুগে তুরস্কের এক বাদশাহ নিজের চেহারাসুরত নিয়ে খুব অহংকারে ভুগতেন। তিনি তাঁর সভাসদ মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমার এই সুন্দর দেহ নিয়ে আমি যদি ক্রীতদাসের বাজারেও দাঁড়াই, তাহলে বলো তো হে আমার মূল্য কত হবে?’