
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

ইরানের যুদ্ধ বিশ্বকে ভয়াবহ জ্বালানি–সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বলে হুঁশিয়ার করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।

তুরস্ক থেকে পাকিস্তানে ফিরেছেন শাহবাজ শরিফ। তেহরান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন আসিম মুনিরও।

১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। লেবাননে বোমাবর্ষণ বন্ধের ঘোষণা আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—হত্যা, সহিংসতা থামানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হোটেলে গতকাল দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি এ আলোচনা শুরু হয়। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব এখন দেশটিতেও পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, তাতে গৃহস্থালিতে ব্যয় বাড়িয়ে চাপে ফেলেছে দেশটির নাগরিকদের।

হরমুজ প্রণালিতে গতকাল শনিবার একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামানোর কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তেহরানকে চূড়ান্ত প্রস্তাব দিয়ে আলোচনা ছেড়ে চলে গেছেন। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিকে দোষারোপ করেছে।

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

মার্কিন-ইসরায়েলি তরফ থেকে অবশ্য ভিন্নকথা বলা হয়েছে। কেন এই যুদ্ধ, তার ব্যাখ্যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ পর্যন্ত আধা ডজনের মতো কারণ দেখিয়েছেন।

ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।