
ইরানে যুদ্ধে যেতে চান না অনেক মার্কিন সেনা
১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

ইরানের মিনাব শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা অস্বীকার করেই যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাষ্ট্রই যে দায়ী, নতুন নতুন ভিডিওতে তার প্রমাণ বেরিয়ে আসছে।

ট্রাম্প আবারও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ওপর নিজের প্রভাব খাটানোর দাবি করেছেন।

ইরান যুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ের মতোই এখন কূটনৈতিক লড়াই সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গতকাল জ্বালানি তেলের স্থাপনা ও তেল পরিবহনে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়

এর একটা কারণ হতে পারে, ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকা আঞ্চলিক বিপর্যয়ের লাগাম টেনে ধরার চেষ্টায় রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ভিডিও ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

৪ মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশের পর এটি ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত ও ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসনে শীর্ষ কমান্ডারদের হারানোর পরও যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।