
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের একেকবার একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা
ট্রাম্পের একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা

ট্রাম্পের একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিচুক্তির ঘোষণা ইসরায়েল মোটেও সহজভাবে নেবে না।

সিআইএর সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বলে অভিযোগ করে বলেছেন, তাঁকে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত। ইরানি সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি সহ ট্রাম্পের বক্তব্যকে তিনি পারমাণবিক ঝুঁকির ইঙ্গিত বলে মনে করেন। কংগ্রেসের ৭০ জনের বেশি ডেমোক্র্যাট এই দাবি সমর্থন করলেও বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই।

ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি।

দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে আছে ইরান।

ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬ শতাংশ নাগরিক ইরান যুদ্ধ থেকে দ্রুত সরে আসার পক্ষে। ৬০ শতাংশ সামরিক অভিযানের বিরোধী। যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে।

ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি সংকট ও তেলের ঘাটতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানিবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ইরানের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করেছেন।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

গত রোববার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খসড়া সমঝোতা স্মারকে সই হয়।