
বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ: দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ-পরবর্তী শিল্প আন্দোলনের রূপান্তর
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি থেকে শুরু করে মনস্তত্ত্ব, সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার ধারণাগুলোতে আসে বিপুল পরিবর্তন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি থেকে শুরু করে মনস্তত্ত্ব, সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার ধারণাগুলোতে আসে বিপুল পরিবর্তন।

২০২৬ সালের শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য ভেঙেছে। হরমুজ প্রণালির আশপাশের দেশগুলো এখন ‘কংগ্রেস ফর হরমুজ’ উদ্যোগ নিয়ে সবার মুখ রক্ষা করতে পারে। এতে যুদ্ধ থেকে বের হওয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ হাজার মাইল দূরের হলেও তার অর্থনৈতিক ধাক্কা কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন কী ঝুঁকি তৈরি করবে

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ায় প্রায় ১৪ লাখ মানুষ হতাহত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশের সমান। তাঁদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ নিহত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে আলোচনা চললেও মার্কিন হামলা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।