
ইরানে হামলার হুমকির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

ওয়াশিংটন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে বারবার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মধ্যপ্রাচ্যের কাতার ও বাহরাইনে নিজেদের ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বড় সংঘাত এড়াতে দুই দেশই এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান।

১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।

পারমাণবিক শক্তিচালিত বিশাল বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বর্তমানে আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র যেসব সামরিক সরঞ্জাম ওই এলাকায় পাঠিয়েছে, এটি তার মধ্যে একটি।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তেহরানের প্রাচীন রাফি-নিয়া সিনাগগ ধ্বংস হয়েছে। সোমবার রাতের হামলায় ইরানে অন্তত ১৫ জন নিহত। ইহুদি প্রতিনিধি হোমায়ুন সামেহ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ একটি বড় নৌবহর পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে তাদের বৃহত্তর লক্ষ্যগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে