
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিলে উপসাগরীয় দেশগুলোর চার গুণ বেশি ক্ষতি করবে ইরান: ভাইস প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি
প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগমনের ৬ দিন পর, ২০ মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চীনে স্বাগত জানান। চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’।

চলমান উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরান অসম রণকৌশলে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে তেলের দাম বাড়িয়ে ট্রাম্পের বিপদ বাড়িয়েছে। টিকে থেকে রণকৌশলগত জয়ের এই উদাহরণ বিশ্বকে শেখাচ্ছে নতুন যুদ্ধের কৌশল।

ট্রাম্প বলেন, এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামার অন্যতম প্রধান প্রার্থী ছিলেন, কারণ তিনি ইসরায়েলকে মোটেও পছন্দ করেন না।

হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে যা বলল ইরান

প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোটা সভ্যতাকে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দিতে চান, তার পেছনে কি শুধুই ভয় দেখানোর রাজনীতি কাজ করে, নাকি আরও কারণ আছে?

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপত্তা দেওয়ার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ থেকে সৌদি আরবের বাধায় পিছু হটেছেন ট্রাম্প। মিত্রদের না জানিয়ে ঘোষণা করায় সৌদি ক্ষুব্ধ হয় এবং সহযোগিতা প্রত্যাখ্যান করে। শান্তিচুক্তির সম্ভাবনায় অভিযান স্থগিত করেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের মুখে চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রশংসা অনেককে অবাক করেছে।