
ইরানে হামলার হুমকির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ইরানে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ইরান গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের পাশাপাশি লেবানন থেকে ইসরায়েলের সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।

কিছুদিন আগে একই ধরনের আরেক হামলায় তাঁর পূর্বসূরিও নিহত হয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

হামলার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

খামেনির ছেলেই কি সর্বোচ্চ নেতা হচ্ছেন

ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১২টি মার্কিন এফ-২২ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে।