
গ্রুপ–সেরা আর্জেন্টিনার নকআউট প্রতিপক্ষ হতে পারে কারা
ড্র অনুযায়ী, ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের। সেই গ্রুপে আছে স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব ও কেপ ভার্দে।

ড্র অনুযায়ী, ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের। সেই গ্রুপে আছে স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব ও কেপ ভার্দে।

তিনি মাঠে নামলেই এখন কোনো না কোনো রেকর্ড হচ্ছে, গড়ছেন নতুন কোনো কীর্তি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে আরও একবার মঞ্চটা তৈরি কিলিয়ান এমবাপ্পের জন্য।

প্রথম ম্যাচে রোনালদো ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। পুরো ৯০ মিনিটে মাত্র ২৫ বার বল ছুঁয়েছেন, যা পর্তুগালের জার্সিতে কোনো বড় টুর্নামেন্টে পূর্ণ ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে তাঁর সবচেয়ে কম।

প্রথম ম্যাচে জয় আর্জেন্টিনাকে অনেকটাই নির্ভার রেখেছে। এরপরও দলটিকে নানা সমীকরণ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। কী সেই সমীকরণ?

দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল আছে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে। কিন্তু এখনো নিশ্চিত হয়নি দ্বিতীয় পর্বের টিকিট।

মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার পর ব্রাজিলের সমর্থকেরা কিছুটা হতাশ হয়েছিলেন। তবে আজ হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয় সেই হতাশা অনেকটাই দূর করে দিয়েছে। পুরো ৯০ মিনিটের ম্যাচে ছিল তীব্র লড়াই, টানটান উত্তেজনা আর আনন্দের চমৎকার সব মুহূর্ত।

মরক্কোর বিপক্ষে রাফিনিয়া, কাসেমিরোরা সেরাটা দিতে পারেননি। ম্যাচের পর এ নিয়ে কথাও হয়েছে অনেক।

কোচ লিওনেল স্কালোনি এখন পর্যন্ত দলের চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি। বিশেষ করে রক্ষণভাগ কেমন চেহারা পাবে, এ নিয়ে বেশ ধোঁয়াশাই আছে বলা যায়।

যেহেতু ১০ নম্বর জার্সিটা পাচ্ছেন না, ইয়ামাল তাই খেলবেন তাঁর ছোটবেলার নায়কের অভিষেক বিশ্বকাপের জার্সি নম্বর পরে।

১৯৭৪ সালে হাইতি যখন প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছিল, সেই স্মৃতি এখন হাইতিবাসীর অনেকেরই হয়তো মনে নেই।

৫ জুন ব্রাজিলের দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পূরণ করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। সামনে এখন বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ।

এই হ্যাটট্রিক মেসিকে নিয়ে গেছে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে। ছুঁয়েছেন জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। বিশ্বকাপে দুজনের গোলই এখন ১৬টি করে।