
যুদ্ধে বিবর্ণ ইরানিদের ‘নওরোজ’
পরিবারকে সময় দেওয়া, নতুন পথচলা আর নতুন সূচনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে ফারসি নববর্ষ ‘নওরোজ’।

পরিবারকে সময় দেওয়া, নতুন পথচলা আর নতুন সূচনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে ফারসি নববর্ষ ‘নওরোজ’।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর দেশ দুটির হয়ে কাজ করা গুপ্তচর আটক।

এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষায় মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

অস্ত্রশক্তির দিক থেকে সৌদি বিমানবাহিনী বর্তমানে ইরানের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক ও ধ্বংসাত্মক।

ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

তেহরানে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সরকার পরিবর্তনের ধারণাকে আঙ্কারা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার সমাধান হিসেবে দেখে না।

তেহরান ওয়াশিংটনের মতো একই খেলা খেলছে—এই ধারণা। তা নয়। ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে পরাজিত করতে চাইছে না। বরং তাদের চেয়ে বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে, তাদের লক্ষ্যকে জটিল করে তুলতে এবং খরচ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে।

ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানিসংকটে পড়া ইউরোপ চীনের কৌশল অনুসরণ করে অরাজক বিশ্বে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। চীনের আগাম প্রস্তুতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুল্ক ও বাণিজ্য অস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপ নিজেদের সুরক্ষা করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় খামেনি ও পাকপুর নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।

এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।