
ইরানে ‘গোপন হামলা’—সৌদি আরব ও আমিরাতের ‘নীরব যুদ্ধের’ ভবিষ্যৎ কী
সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।

সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।

ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।

তেহরান বলছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, ইরানের নতুন প্রস্তাব ট্রাম্প সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোটা সভ্যতাকে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দিতে চান, তার পেছনে কি শুধুই ভয় দেখানোর রাজনীতি কাজ করে, নাকি আরও কারণ আছে?

হরমুজ প্রণালি শুধু জ্বালানি সরবরাহের পথ হিসেবেই নয়, বরং সাবমেরিন কেব্লের একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডরও।

এক দশক ধরে বেইজিং অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তাদের জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য এনেছে।

সহযোগীরা সিচুয়েশন রুম থেকে প্রতি মুহূর্তের হালনাগাদ তথ্য নিচ্ছিলেন ও ট্রাম্পকে তা জানাচ্ছিলেন।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন। চীন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে সামরিক সহায়তা করে আসছে।

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।