
কাটার আগমুহূর্তে কালবৈশাখী, জয়পুরহাটে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
জয়পুরহাটে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে গাছপালা, বসতঘরের টিনের চালা ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জয়পুরহাটে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে গাছপালা, বসতঘরের টিনের চালা ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সুনামগঞ্জে সকাল থেকেই ছিল ঝলমলে রোদ। আজ বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোদের তীব্রতাও বাড়তে থাকে। টানা বৃষ্টির দুর্যোগ-দুর্ভোগের পর এমন রোদে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কিষান–কিষানিরা।

গত শনিবার চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক মোড়ে বিকেল চারটার দিকে ঘণ্টাখানেক সময়ের হালকা বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা।

সমাবর্তনে লিমন ও বৃষ্টির সম্মানে দুটি চেয়ার খালি রাখা হবে। এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

বৃষ্টির কারণে কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা ধান কাটতে ও শুকাতে সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগ ধান গজিয়েছে বা পচে গেছে।

প্রতিবছর এই সময়ে আকাশে হ্যালির ধূমকেতুর উল্কাবৃষ্টি দেখা যায়। মহাজাগতিক এ ঘটনা ‘অ্যাকুয়ারিডস’ নামে পরিচিত।

নেত্রকোনায় টানা বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় কৃষকেরা স্বস্তি পেয়েছেন। তাঁরা ধান শুকাতে ও কাটতে পারছেন।

সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এই অংশ সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ভরে যায়। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

তিন ধরনের ‘বন্যা’ হয় হাওরে। উকিল মুন্সীর গানের মতো ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’ সাধারণ ঋতুভিত্তিক বন্যা।

আগে হাওরের বাঁধ ভেঙে ধান নষ্ট হতো। এবার হঠাৎ বৃষ্টিতে, জলাবদ্ধতায়। তরমুজ, মুগ ডাল, বাদাম ও সূর্যমুখীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিবেশকর্মীদের মতে, লবণাক্ততার বিস্তার, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, বৃষ্টির অভাব—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি প্রতিবছরই জটিল হচ্ছে।