
‘বিদ্রোহী’র কাছে ধরাশায়ী এমরান সালেহ, প্রথমবার নির্বাচিত হলেন ছয়জন
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।

ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।

নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মোদি।

ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন।

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।

চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে বেসরকারি ফলে ৯টিতে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। আরও তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতেছেন দুটি সংসদীয় আসনে। বাকি দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীর ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া, নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম, আবুল কালাম এবং এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।

সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে তাহসিনা রুশদীর একমাত্র নারী। তাঁর স্বামী ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালকসহ ‘গুম’ হন।

ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।