
থম্পসনের ডায়েরি: পর্ব-২
একজন পাবলিক হেলথ ইন্সপেক্টর হিসেবে কানাডার থম্পসন শহরে অতনু দাশ গুপ্তর প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণিত। অফিসে যোগ দিয়ে ম্যানেজার জুলিয়েট হোলিকের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেন।

একজন পাবলিক হেলথ ইন্সপেক্টর হিসেবে কানাডার থম্পসন শহরে অতনু দাশ গুপ্তর প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণিত। অফিসে যোগ দিয়ে ম্যানেজার জুলিয়েট হোলিকের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেন।


সন্ধ্যায় প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাতে দেশের মা–বাবার কথা মনে পড়ে, তাঁদের সেবা করতে না পারার অপরাধবোধ কাজ করে।

একজন বাঙালি চীনের ডালিয়ান শহরে বসে চীনা চা খেতে খেতে অনুভব করছেন শূন্যতা ও বাড়ির স্মৃতি।

শুক্রবারের সকালটা ভালো লাগে তাদের। শুধু এদিনটি তাদের কাছে আবছায়া নয়। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। আবিষ্ট পুকুর থেকে ফোটা পদ্ম যেন চলে আসে তাদের কাছে।

পর্তুগালের মোইতা শহরে ফেইরা দে মাইও উৎসবের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক। গ্রামীণ পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী বুল ফাইট, ফার্টুরাস চুরোসের মতো খাবার ও স্থানীয় সংস্কৃতি দেখে তিনি মুগ্ধ।

সুইডেনের পার্লামেন্ট নতুন অভিবাসন আইন পাস করেছে, যা ২০২৬ সালের ১২ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

নিজের অর্থ, শ্রম আর সময় ঢেলে তিনি গড়ে তুলেছেন কুড়িগ্রাম ফুটবল প্রশিক্ষণ স্কুল। যার একটাই লক্ষ্য—তৃণমূলের ছেলে-মেয়েদের মাঠে ফিরিয়ে আনা।

বল মাঠে গড়াবে রাত দশটায়। অথচ এশার আজানের পর থেকে আনোয়ার চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠোনে মানুষ গিজগিজ করছে। এই গাঁয়ে সন্ধ্যার আগেই মানুষের নাকের ডাক শোনা যায়। অথচ আজ রীতিমতো চোখে পানি দিয়ে ছেলে–বুড়োরা ঘুম তাড়িয়েছে। উঠোনজুড়ে খড়ের বিছানায় ঝাঁকে ঝাঁকে মশার শুঁড়ে বিদ্ধ হতে হতেও মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে আছে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন সেটের দিকে।

কুয়েতে ‘সাহেল’ নামের একটি অ্যাপ চালু হয়েছে, যা নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য শতাধিক সরকারি সেবা মোবাইল ফোনে দিচ্ছে।

হাসান আজিজুল হকের ‘দিবাস্বপ্ন’ গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

শহরের এক উঁচু স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় আমাদের বসবাস। এখানকার প্রায় সব নির্জীব বস্তুই তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আমাদের আরাম–আয়েশের জন্যে। আমার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ঘরের দেয়ালের স্বচ্ছতা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। ভোরের সূর্যের মোলায়েম আলো অল্প অল্প করে ঘরে ঢুকতে শুরু করেছে।