
অনাহূতের মতো :: উম্মে ফারহানা
সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?

সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?

আলোর ভয়ে ছড়ানো ফোয়ারা ফুল, লোভে পড়া যৌনতরু এবং মিথ্যের জালে আটকে রাজহাঁসের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। আত্মবন্দী এক মানুষের চরকায় সুতোকাটা এবং মায়ার প্রতিবিম্বের কথা উঠে এসেছে। অর্থ-জ্ঞানে কোনো বৃহস্পতি নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

নর্মদা নগরীর কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তূপাকার জঞ্জালের ছবি। ব্যর্থতা ও ধ্বংসের প্রতীক এই স্তূপ বর্ষার আগে সরিয়ে ফেলার আহ্বান। আয়ুষ্কাল অতিক্রম করে কে বেঁচে থাকে?

‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’

দ্বিধাগ্রস্ত হৃদয়ে একান্ত হাতে বোনা নীল সোয়েটারের আলতো ভাঁজের উত্তাপ। লায়লা ফারজানার কবিতায় তুষার, নির্জনতা, ভালোবাসা ও কয়েনের স্বপ্নের মায়াময় ছবি। পার্কের শুকনো ফোয়ারায় পড়ে থাকা সেই স্বপ্নের গল্প।

বাংলাদেশের ভাস্কর নভেরা আহমেদকে ভারতের অমৃতা শেরগিল ও মেক্সিকোর ফ্রিদা কাহলোর সঙ্গে তুলনা করে তাঁদের শৈল্পিক ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে নভেরার জীবন, কাজ ও প্রগতিশীল চিন্তা বর্ণিত। যদিও সে সময়টা খুব দীর্ঘ ছিল না। তবু তাঁর জীবনযাপন, আচার–আচরণ, শাড়ির প্রতি ভালোবাসা, সর্বোপরি তাঁর কল্পনাজগতে ছিল এই দেশ।

ভাস্কর নভেরা আহমেদের জন্মসাল নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, যা তাঁর জীবনের ঘটনাবলী বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়। পাসপোর্টে ১৯৩৯ উল্লেখ থাকলেও অন্যান্য তথ্য এটিকে খণ্ডন করে। ১৯৬০–এর প্রদর্শনী প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে জন্মসালের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

ধাতব না হলেও শক্ত কিছু একটা মাটির গর্ভে সমাহিত ভেবে, অথবা তার মনে গুপ্তধন না হলেও দামি কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে সে খনন অব্যাহত রাখে।

যদি-না সাড়া দাও, বুঝে নেব—এ তোমার স্বেচ্ছা-নির্বাসন।

কার হাতে পূর্ব বাংলায় ফটোগ্রাফি একটা পরিণত রূপ লাভ করল—সেই জিজ্ঞাসা থেকেই উঠে আসে গোলাম কাসেম ড্যাডির নাম। নিজ ভূমিকাকে আড়ালে রেখে তিনি সারা জীবন আলোকচিত্র সাধনা করে গেছেন।

এর পরের দিন, লাঞ্চের পর তাহমিনা বিশ্বাসযোগ্য রফিককে যথেষ্ট আপ্যায়ন করেছিল। বলেছিল, ‘আজ কবিতাটবিতা হবে না, কথা আছে তোমার সঙ্গে।’

তুমি কি সমন্বয়ক? উপদেষ্টা? তুমিও কি বারবার মাতৃভাষা ভুলে যাও?