
বিড়াল কবে থেকে মানুষের বন্ধু
অনেকের কাছেই বিড়াল আদুরে পোষা প্রাণী হলেও অতীতে বিড়াল ছিল বন্য শিকারি প্রাণী।

অনেকের কাছেই বিড়াল আদুরে পোষা প্রাণী হলেও অতীতে বিড়াল ছিল বন্য শিকারি প্রাণী।

মানুষের সঙ্গে অন্যান্য প্রাণীর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো আমাদের বড় মস্তিষ্ক ও দুই পায়ে সোজা হয়ে হাঁটার ক্ষমতা।

বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পের যে ধারা, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন থেকে কামরুল হাসান পর্যন্ত, সেটা মূলত ‘মানুষীয়’ ধারা। দুর্ভিক্ষের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের মানুষ, মাটির মানুষ। এই ধারায় ছবি একটা সাক্ষ্য দেয়; ঘটনার, সময়ের, যন্ত্রণার। কিবরিয়া এই ধারার বাইরে। তবে বিপরীতে নন, অন্য কোথাও। তিনি সাক্ষ্য দেন না, তিনি একটা অবস্থা তৈরি করেন। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকার মানুষ এখন এই বটগাছের জন্য গর্ববোধ করে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ প্রতিদিন গাছটি দেখতে আসে। গাছটিই যেন এখন গ্রামবাসীর পরিচয় হয়ে উঠেছে।

জুলিয়েট শোর নামে একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন, অর্থনীতি খারাপ হলে মানুষ বড় বিলাসিতা বাদ দেয়, কিন্তু ছোট বিলাসিতা বাড়িয়ে দেয়। কারণ, দুঃখের মধ্যেও মানুষ একটু সুখ চায়। তাই অর্থনীতি খারাপ থাকলে লিপস্টিক বেশি বিক্রি হয়।

বল মাঠে গড়াবে রাত দশটায়। অথচ এশার আজানের পর থেকে আনোয়ার চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠোনে মানুষ গিজগিজ করছে। এই গাঁয়ে সন্ধ্যার আগেই মানুষের নাকের ডাক শোনা যায়। অথচ আজ রীতিমতো চোখে পানি দিয়ে ছেলে–বুড়োরা ঘুম তাড়িয়েছে। উঠোনজুড়ে খড়ের বিছানায় ঝাঁকে ঝাঁকে মশার শুঁড়ে বিদ্ধ হতে হতেও মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে আছে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন সেটের দিকে।

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।

শার্লক হোমস। গোয়েন্দা কাহিনি পছন্দ, অথচ এই নাম জানেন না, এমন মানুষ সম্ভবত খুঁজে পাওয়া ভার। ব্রিটিশ লেখক ও চিকিৎসক স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের (২২ মে ১৮৫৯—৭ জুলাই ১৯৩০) সৃষ্টি এই গোয়েন্দা চরিত্র বিশ্বব্যাপী এতটাই জনপ্রিয় যে অনেকেই তাঁকে রক্ত-মাংসের মানুষ মনে করেন! কিন্তু কীভাবে জন্ম নিল এই চরিত্র?

একজন নারীকে এই সমাজে দুইবার জন্ম নিতে হয়—একবার মানুষ হিসেবে, আরেকবার নিজেকে মানুষ প্রমাণ করার জন্য।

তথ্য ঠিক না থাকলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। বিভ্রান্ত মানুষ টিকা নিতে দ্বিধাবোধ করে। চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যেতে যায় না।

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বৈশাখ মানে কালবৈশাখী ঝড়ের আতঙ্ক এবং টিকে থাকার লড়াই। শহরের উৎসবের বিপরীতে এখানে মানুষ আকাশের দিকে চেয়ে থাকে ঝড়ের আশঙ্কায়। প্রতি বছর শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবু চরের মানুষ নতুন করে শুরু করে।

বগুড়া শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে ১৯ বছর ধরে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার মানুষ একসঙ্গে ইফতার করেন। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এক প্লেটে ভাগাভাগি করে ইফতার করেন-যা সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।