
ইরান যুদ্ধের জেরে বিদেশি বিনিয়োগে কি দুবাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে ইস্তাম্বুল
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ দেশে টানার পথ খুঁজছে তুরস্কের সরকার।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ দেশে টানার পথ খুঁজছে তুরস্কের সরকার।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।

জ্বালানি ও কাঁচামালের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিষয়ে দীর্ঘকাল ধরে চেষ্ট করে আসছে বেইজিং।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ৪০ দিনের যুদ্ধ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে আপাতত থেমেছে। এটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক স্বস্তি এনেছে, তবে স্থায়ী শান্তি ও কূটনৈতিক সমাধানই প্রধান প্রত্যাশা। বাংলাদেশও এর প্রভাবে সংকটের মুখ দেখেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে পাকিস্তান চাপে পড়েছে। ইসরায়েলের বেসামরিক হামলা ও মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে পাকিস্তান শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক মাসে ৮৫২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, ইরানসহ সাত দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ৩০ মার্চেও আরও ১৮টি ফ্লাইট বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ হাজার মাইল দূরের হলেও তার অর্থনৈতিক ধাক্কা কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন কী ঝুঁকি তৈরি করবে

যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩৬ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের বর্তমান কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট।

যে দেশগুলো ইতিমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা বিকল্প শক্তির পথে হাঁটা শুরু করেছে, তারা তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকবে।

‘আমরা ভেনেজুয়েলায় যা করেছি, আমি মনে করি, সেটাই যথাযথ।’

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

ঘরে ডাকাত পড়লে করণীয় কী হতে পারে? হ্যাঁ, সহজ এই প্রশ্নের খুব সহজ উত্তর দিয়েছেন ইরানের নারী ফুটবল দলের চার খেলোয়াড়।