
বসন্তের বাতাসে মৃত্যুর ছায়া
বসন্তের উৎসবে মৃত্যুর ছায়া নেমে আসে এ দেশে। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তরুণ প্রজন্মের শোকগাথা লেখা হচ্ছে বারবার। সমাজের এই চক্রাকারে কতদিন চলবে এই কষ্টের ঘটনা?

বসন্তের উৎসবে মৃত্যুর ছায়া নেমে আসে এ দেশে। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তরুণ প্রজন্মের শোকগাথা লেখা হচ্ছে বারবার। সমাজের এই চক্রাকারে কতদিন চলবে এই কষ্টের ঘটনা?

বসন্তের আগমনে শঙ্কিত মনের কাব্যিক প্রকাশ। আধবোজা দিনের ভয়, মনের উড়ান মধুপুর জঙ্গলে এবং নিয়তির ছায়ায় এক অদ্ভুত অনুভূতি। সোনালি পাখির ডাকে রাগান্বিত হওয়ার কল্পনা।

বসন্তের আগমনে কোকিলের ডাক হৃদয়ে অশান্তি জাগায়। এই কবিতায় কোকিলের সেই ডাকে লুকিয়ে আছে স্মৃতির ঝনঝনানি এবং অন্তরের আগল খুলে যাওয়া। প্রত্যাশিত মিলনের ছায়ায় বেঁচে ওঠে হৃদয়ের যুগল।

এই কবিতায় পথের ভ্রান্তি, বসন্তের মাধুরী ও ধূলি-বালির মিশ্রণ ফুটে উঠেছে। মলিন কথা ফুরিয়ে বনের বেতার চালু হবে। আগামীকালের বাসনায় রঙিন হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।

বসন্তের নির্জন পাতাছায়ায় একাকী পথচলার কাব্যিক চিত্র। দিন শেষ না হলেও বিদায়ের মুহূর্ত, অপেক্ষিত বাঘের ছায়া এবং সুন্দরবনের তীরে অপেক্ষা। পরিতৃপ্ত চোখে ফিরে যাওয়া এবং গভীরে আলোর অনুসন্ধানের অনুভূতি।

হিয়া বসন্তের একঘেয়েমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বহুদিনের একই রকম হাওয়া, গান আর কোকিলের রব কি আর ভালো লাগে না? লেখক বসন্তকে সকল মাসে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঋতু ও যৌবনের অনিত্যতা নিয়ে এক কবিতা। কোনো ঋতু স্বয়ম্ভূ নয়, সবাই পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। বসন্তের ফুল ছাড়া ঋতুর যৌবন অসম্পূর্ণ।

কলিঙ্গযুদ্ধের ছেঁড়া দিনলিপি থেকে শুরু করে ভূত-প্রেতের কবিতাপ্রেম এবং সরস্বতীর প্রশংসায় এই অশেষ কবিতালিপি। শিশুদের হারানো পিং পং বলের খোঁজ আর কবিদের পলায়নের ছবি আঁকা হয়েছে এতে। দৈনিকের সাহিত্যপাতায় ছাপা এই রচনায় পাঠকরা অভিভূত।

ঘুম ভেঙে চোখ খুললে এক বিশাল ক্যাকটাস দেখি, যার কাঁটায় শুরু হয় আমার জীবনের রহস্যময় যাত্রা। অপুষ্ট শৈশব, স্কুলের দিন, দাদির মৃত্যু এবং পরিত্যক্ত বাড়ির পেছনে ফিরে আসা—এক অদ্ভুত ইকোসিস্টেমে বেঁচে ওঠা। শেষে ক্যাকটাসের শিকড় আমাকে জড়িয়ে ধরে সত্য প্রকাশ করে।

২১ বছর বয়সে ঘরছাড়া হয়েছিলেন, আবার যখন ঘরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখন তাঁর বয়স ৪৬। মাঝখানে পার হয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর।

নমনীয় মিহি গলার আওয়াজ। দরজা খুলে দিলাম। হকচকিয়ে গেছি। বিস্ময়ে আমার ভেতর অবশ ভাব চলে এসেছে। হতভম্ব চোখে দেখলাম সামনে হিম দাঁড়িয়ে আছে।

বর্ণমালারা মিলেমিশে অক্ষর-শব্দ-বাক্য গঠন করলেও কোনো গভীর মালা গাঁথেনি। তারা প্রেমহীন, কামহীন, সম্মতিবিহীন হয়ে শুয়ে আছে। যেন ল্যাবরেটরির পেট্রি ডিশে ক্যালসিয়াম-পটাসিয়াম-ভিটামিন মিশিয়ে ফলের সৌন্দর্য গড়া হয়নি।