
ভালো শাসনের জন্য ভালো নেতা ও নীতি দরকার: রেজাউল করীম
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশাল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশাল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

যুক্তরাজ্যের টেমস নদীর তীরে ১৮০ কোটি পাউন্ডে একটি বন্দর নির্মাণের কাজ পাওয়ার জন্য দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর হয়ে লর্ড মেন্ডেলসনের কাছে তদবির করেছিলেন কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে?’

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনুর নির্বাচনী পথসভায় যুবদলের এক নেতার দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘ভারত শুধু আমাদের দেশ থেকে পেট্রল বা খনিজ তেল কেনে না। তাই এ ক্ষেত্রে আমরা কোনো কিছুই দেখছি না।’

এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে নাম এসেছে ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদেরও। এপস্টেইন ফাইল দেখিয়েছে, ফর্মুলা ওয়ান, ফুটবল এবং আমেরিকান ফুটবলের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগ ছিল।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংঘাত-সহিংসতার সঙ্গে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের কাছে ধরনা ও বিদেশি দূতাবাসগুলোর দ্বারস্থ হওয়ার ইতিহাসও পুরোনো।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘৫৪ বছরের অপশাসন দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এ থেকে বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, মুক্তি চায়। পুরাতন বন্দোবস্ত আর দেখতে চায় না।

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের এখনো তিন বছর বাকি আছে। সামনের তিন বছরে আর্থিক, সামাজিক, ভূরাজনৈতিকসহ বৈশ্বিক কাঠামো ব্যবস্থাপনায় কেমন পরিবর্তন হয়, সেদিকে চোখ রাখবে বিশ্ববাসী।

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।